,



আবারো পেছাল ডেসটিনি গ্রুপের জামিনের রিভিউ শুনানী

ডেসটিনি অনলাইন:

ফের পিছিয়ে গেল ডেসটিনি-২০০০ লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লি: এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের জামিনের রিভিউ আবেদনের শুনানী।আজ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলাটি শুনানীর জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন ডেসটিনি আইনজীবী প্যানেলের সকল আইনজীবী আদালতে উপস্থিত থাকলেও শুনানী অনুষ্ঠিত হয়নি। আসামীপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে নতুন করে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানীর তারিখ আগামী ২২ নভেম্বর ২০১৭ ধার্য করেন।

দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার পর আজ ডেসটিনি আইনজীবী প্যানেলের প্রধান ব্যারিষ্টার আজমালুল হোসেন কিউসি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সাথে ছিলেন আব্দুল মতিন খসরু ও ব্যারিষ্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।আদালতে আজ ডেসটিনির মামলার শুনানীর বিষয়ে জানতে চাইলে ডেসটিনির আইনজীবী প্যানেলের প্রধান সমন্বয়কারী ডেসটিনি অনলাইনকে জানান, ধার্য তারিখে শুনানীর জন্য সকল আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং শুনানীর জন্য পূর্ণ প্রস্তুতিও ছিল। কিন্তু কেন সময়ের আবেদন করা হল, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান সমন্বয়কারী কোন মন্তব্য করতে চাননি।

এ বিষয়ে ডেসটিনি আইনজীবী প্যানেলের প্রধান ব্যারিষ্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ও ব্যারিষ্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারাও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

২০১২ সালের ১১ অক্টোবর ডেসটিনির তিনজন শীর্ষ ব্যক্তি কলাবাগান থানায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দায়েরকৃত মানি লন্ডারিং মামলায় আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিন চাইলে, আদালত জামিন নামঞ্জুর করে দুই দফায় ২৪ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং আসামীদের কারাগারে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল হারুন-অর-রশিদ এর জামিন মঞ্জুর করলেও জামিন আটকে থাকে ডেসটিনি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের।

জানা যায়, ২০১৬ সালের ২০ জুলাই ডেসটিনি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত দুদকের মানি লন্ডারিং মামলায় ডেসটিনি-২০০০ লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি-২০০০ লি: এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন হাইকোর্ট থেকে তাদের পাসপোর্ট আদালতে জমার রাখার শর্তে জামিন আদেশ পেয়েছিলেন। কিন্তু জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক আপীল করলে তাঁদের মুক্তির বিষয়টি আটকে যায়। পরবর্তীতে একই বছরের নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের আপীলেড ডিভিশন নতুন কিছু শর্ত সাপেক্ষে ডেসটিনির শীর্ষব্যক্তিদের জামিনে মুক্তির আদেশ বহাল রাখেন। আদেশে শর্ত দেয়া হয় যে, ছয় সপ্তাহের মধ্যে গাছ বিক্রি করে দুই হাজার আটশত কোটি টাকা দুদকের কাছে জমা দিতে হবে। কিন্তু শর্ত পূরণ তথা অসম্ভবকে সম্ভব করতে না পারা ও আইনী জটিলতার কারণে বিগত প্রায় এক বছরেও তাঁদের কারামুক্তি ঘটেনি।

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ