,



১৫ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন -টেকনাফ নৌ-রুটে যাত্রীবাহী জাহাজ চলাচল শুরু

সেন্ট মার্টিন থেকে আলি হায়দার :

১৫ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন -টেকনাফ নৌ-রুটের যাত্রীবাহী জাহাজ গুলো প্রতি বছরের মত এই বছরও দমদমিয়া ঘাট হতে চলাচলের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষ সুত্রে জানাগেছে।

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন পর্যটন নগরী হিসেবে বিশ্বের কাছে অতি পরিচিত হওয়ায় সেন্ট মার্টিন-টেকনাফ নৌ-রুটে প্রতিবছর ০৫-০৭টি বড় বড় যাত্রীবাহী জাহাজ দিয়ে এই দ্বীপে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘঠে।এই বছরও তার ব্যতিক্রম হবেনা মনেকরে মৌসুমের শুরুতেই অনেক আশা নিয়ে প্রতি বছরের মত এই বছরও অত্যন্ত সুপরিসরে প্রস্তুতি নিয়ে আগাচ্ছিল দ্বীপের সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ীরা।কিন্তু দীর্ঘদিন জাহাজ গুলোর সঠিক সময়ে চলাচল শুরু না হওয়ায় মৌসুমের শুরুতেই বড়মাপের ক্ষতির সম্মুখিন হতে যাচ্ছিলো তারা।কারন প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম থেকে জাহাজ চলাচল শুরু হলেও এই বছর তার ব্যতিক্রম ঘঠেছে।রোহিঙ্গা ইস্যু এবং নাফ নদীর মোহনায় বাংলাদেশ সিমান্তে বিশাল আকারে বালির চর জেগে উঠায় এই রুট দিয়ে নৌ-জান চলাচলে বিগ্নতা দেখা দিয়েছিলো।

এদিকে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লোকাল যাত্রীবাহী ট্রলার গুলো মিয়নমার সিমান্ত দিয়ে যাতায়াত করতে হয়েছে তাদের। বিধায় কক্সবাজার জেলা প্রসাশন সহ লোকাল প্রসাশন ভেবেচিন্তে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে কালক্ষেপণ করেছেন বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করেন।তবে ২রা নভেম্বর নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খাঁনের সভাপতিত্বে আন্ত-মন্ত্রনালয়ে বিষয়টিকে আমলে নিয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত সভায় ১০ নভেম্বর জাহাজ গুলোকে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও ১২নভেম্বর মিয়নমারের সাথে একটি পতকা বৈঠক করে জাহাজ চলাচল করার অনুমতির সত্যতা নিশ্চত করবেন বলে জানান জেলা প্রসাশন।

আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে নিয়মিত যাত্রীবাহী বিলাস বহুল জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ এন্ড ডাইন, এল সিটি কুতুবদিয়া, এম ভি গ্রীন লাইন, বে ক্রুজ সহ সবগুলো জাহাজ নিয়মিত চলতে পারবেন বলে আশা করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ