বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৩, ২০১৮ | ২৯, অগ্রহায়ণ, ১৪২৫
 / শেষ পাতা / প্রাণঘাতী গেম ‘মোমো চ্যালেঞ্জ’ ১২ বছর বয়সী কিশোরীর আত্মহত্যা
ডেসটিনি ডেস্ক
Published : Friday, 10 August, 2018 at 9:20 PM, Count : 105
প্রাণঘাতী গেম ‘মোমো চ্যালেঞ্জ’ ১২ বছর বয়সী কিশোরীর আত্মহত্যা

প্রাণঘাতী গেম ‘মোমো চ্যালেঞ্জ’ ১২ বছর বয়সী কিশোরীর আত্মহত্যা

ইন্টারনেটে প্রাণঘাতী গেম ব্লু-হোয়েলের প্ররোচনায় মৃত্যু ঘটনার খবর কমে আসতে না আসতেই একই রকম প্রাণঘাতী গেম ‘মোমো চ্যালেঞ্জ’ কেড়ে নিয়েছে এক কিশোরীর প্রাণ।
বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, মোমো চ্যালেঞ্জ আর্জেন্টিনার ১২ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে বলে সন্দেহ করছে কর্তৃপক্ষ। মূলত ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটস অ্যাপের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হচ্ছে এই মারাত্মক গেম।
পুলিশ সূত্র বলছে, হোয়াটসঅ্যাপে ‘মোমো’র ছবি শেয়ার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজের বাড়ির পেছন দিকের জমিতে ১২ বছরের মেয়েটির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
আর্জেন্টিনায় কিশোরী নিহত হওয়ার খবর জানার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানি, আর্জেন্টিনা, মেক্সিকোর মতো দেশগুলোতে অনলাইন গেমের ক্ষেত্রে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।
ব্রিটেনে এখনো ছড়ায়নি ওই গেম। হোয়াটসঅ্যাপে গেমটা চলছে বলে দ্রুত তা ভারতসহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
‘মোমো’ একটি মেয়ের ছবি। যার দুটি চোখ কোটর থেকে ঠেলে বেরিয়ে আসছে। তার পা দুটি পাখির মতো। পায়ের আঙুল ও নখগুলি বড় বড়। মুখটা অসম্ভব রকমের চওড়া। মাথাটা লম্বা। চুলগুলো খুব কালো। দুটি কানের পাশ দিয়ে তা অনেকটা পর্যন্ত নেমেছে। মাথার ওপরের দিকটা দেখলে মনে হবে টাক আছে। তারই মাঝে কিছুটা জায়গা ছেড়ে ছেড়ে রয়েছে চুল। ‘মোমো’র এই ছবিটা এঁকেছিলেন জাপানি শিল্পী মিদোরি হায়াশি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানায়, শিল্পী হায়াশি কোনোভাবেই জড়িত নন এই আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়া গেমটির সঙ্গে। ২০১৬ সালে টোকিওর ভ্যানিলা গ্যালারিতে একটি শিল্প প্রদর্শনীর জন্যই ওই মোমোর ছবি এঁকেছিলেন হায়াশি।
এই ছবির মাধ্যমেই মোমো চ্যালেঞ্জের আমন্ত্রণ জানানো হয় সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজারদের। যাকে টার্গেট করা হবে তাকে হোয়াটস অ্যাপে একটা লিঙ্ক পাঠানো হয়। সেখানে, টেক্সট করে তাকে অজানা এক নাম্বারে মোমো’ লিখে পাঠাতে বলা হয়।
মোমো লিখে টেক্সট করার মানে সে এই গেমে অংশ নিতে আগ্রহী। এর পর থেকেই গেমার বিভিন্ন রকম ভুতুড়ে ছবি পেতে শুরু করে। সঙ্গে একের পর এক চ্যালেঞ্জ। ব্লু-হোয়েলের মতোই এই গেমও শেষ হয় গেমারের মৃত্যু দিয়ে। অর্থাৎ কোনো না কোনো অজুহাতে গেমারকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা। এটা ঠিক ব্লু-হোয়েলের মতোই কাজ করে।
এই গেমের উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সাইবার ক্রাইম রোধক বিভাগের একাংশের দাবি, মূলত তথ্য চুরি করাই এই গেমের মূল উদ্দেশ্য। তা ছাড়া গেমারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা করা তো রয়েইছে।
ইউরোপ ও আমেরিকার বেশ কয়েকটা দেশে হোয়াটসঅ্যাপের এই গেমটিতে জাপানের আইএসডি কোড-সহ ৩টি ফোন নম্বর, আর কলম্বিয়ার আইএসডি কোডসহ ২টি এবং মেক্সিকোর আইএসডি কোড-সহ আরো একটি নম্বরের সংযুক্ত রয়েছে।
মেক্সিকোর সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে কর্মরত পুলিশ বলছে, এটা শুরু হয় ফেসবুকে। কেউ কেউ একে অন্যকে প্রলুব্ধ করে একটি অপরিচিত ফোন নম্বরে কল করার জন্য। তবে সেখানে একটি সতর্কতা দেয়া ছিল।



দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162