এই মাত্র পাওয়া : সংসদ থেকে তিন মাসের ছুটি নিয়েছেন জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফ
মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮ | ৩, আশ্বিন, ১৪২৫
 / তথ্য ও প্রযুক্তি / ‘মমো’ গেমে কেন এত আকর্ষণ? জানুন মাত্র এক ক্লিক এ
তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক, ডেসটিনি অনলাইন :
Published : Wednesday, 29 August, 2018 at 5:16 PM, Update: 29.08.2018 5:23:41 PM, Count : 179
‘মমো’ গেমে কেন এত আকর্ষণ? জানুন মাত্র এক ক্লিক এ

‘মমো’ গেমে কেন এত আকর্ষণ? জানুন মাত্র এক ক্লিক এ

আবারও যেন ব্লু হোয়েলের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো ধেয়ে আসছে। ভিন্ন কোন নামে মরণনাশক সেই গেমের ভিন্ন নাম ‘মমো’। অনলাইনে যার ভিন্ন এক চ্যালেঞ্জ। অনলাইনে মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই মৃত্যুর সাথে সাক্ষাৎ। চ্যালেঞ্জের ফাঁদে পা দেয়ার নামই মৃত্যু। আর চ্যালেঞ্জটি বিভিন্ন রকম নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ধেয়ে আসছে। ভুল করেও যদি কেউ এই চ্যালেঞ্জে পা বাড়ায় তাহলেই তাকে মৃত্যুর জন্য ধারাবাহিকভাবে ছুড়ে দেয়া হবে চ্যালেঞ্জ। আবার চ্যালেঞ্জ না নিলে মেরে ফেলার হুমকি। লক্ষ্যকে স্রেফ ব্ল্যাক মেইল করেই শেষ করে দেয়ার ফাঁদ।


‘মমো’র চ্যালেঞ্জে ইতিমধ্যে ভারতে দুজনের মৃত্যুও হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের কার্শিয়াঙের এক ছাত্রও রয়েছে এর মধ্যে। রাজ্য পুলিশ এনিয়ে সতর্কতা দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অপরিচিত কোন নম্বর থেকে ম্যাসেজ আসলেই থানায় জানানোর জন্য আহবান করা হয়েছে।

‘মমো’র কি সেই চ্যালেঞ্জ?

চ্যালেঞ্জটি প্রথমে শুরু হয় ফেসবুকে। সেখানে প্রথমে অপরিচিত এক ব্যক্তির সাথে অপরিচিত নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বলা হয়। আর তারপরই ওই ভয়ানক গেমের লিংকটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করে। প্রথমে এই চ্যালেঞ্জটির বলি হয় আর্জেন্টিনার ১২ বছর বয়সী এক মেয়ে। সে নিজেই তাকে শেষ করার ভিডিওটি মোবাইলে রেকর্ড করে। শুধু মাত্র চ্যালেঞ্জে জেতার জন্য। তবে এখন পর্যন্ত তদন্তে বের হয়নি সে কার সাথে কথা বলতো।

যে কারণে এই চ্যালেঞ্জের নাম ‘মমো’ :

জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইটের নাম অনুসারে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘মমো’ নামের অ্যাকাউন্টটি অনেক জনপ্রিয়। আর সেখানে ভয়ানক একটি পুতুলের ছবি থাকে। ছবিটি দেখে খুব সহজেই আকৃষ্ট হয়ে পড়ে শিশুরা।

চ্যালেঞ্জ গ্রহণের পর যেসব টাস্ক দেয়া হয় :

‘মমো’র ফাঁদে পা দেয়ার পর থেকেই (অ্যাকাউন্ট খোলা) একের পর এক বিপজ্জনক চ্যালেঞ্জ দেয়া শুরু হয়। চ্যালেঞ্জে বলা হয়, তাদের দেয়া চ্যালেঞ্জগুলির ধাপ পার করতে পারলে ‘মমো’র সাথে দেখা হবে। আর সেসব চ্যালেঞ্জগুলো অনেক মারাত্মক। শেষ পর্যন্ত একের পর এক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার মাধ্যমে আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যায়। তবে কেউ যদি চ্যালেঞ্জ নিতে অস্বীকার জানায় ঠিক তখন থেকেই শুরু হয় ‘মমো’র ব্ল্যাক মেইল ও হুমকি।

‘মমো’র ছবি :

গেমটিতে যে ছবি দেয়া হয়েছে তা তৈরি করেছিলেন জাপানি আর্টিস্ট মিদোরি হায়াসি। এ বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, মৃত্যুমুখি এই গেম সম্পর্কে তিনি কোন কিছুই জানেন না। আর সেই ছবিটির নাম ‘মাদার বার্ড বাই লিঙ্ক ফ্যাক্টরি’।

চ্যালেঞ্জ টার্গেট বাছাইয়ের পদ্ধতি :
চ্যালেঞ্জটি যিনি নিয়ন্ত্রণ করছে তিনি সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন প্রোফাইল সার্চ করে। যাকে আত্মহত্যাপ্রবণ বলে মনে হয় তাকেই টার্গেট হিসেবে বেছে নেয় ওই নিয়ন্ত্রক।


দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162