রবিবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৮ | ৪, অগ্রহায়ণ, ১৪২৫
 / আন্তর্জাতিক / ‘রাখাইন ইস্যু’ আরও ভালোভাবে সামাল দেওয়া যেত: সু চি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ডেসটিনি অনলাইন :
Published : Thursday, 13 September, 2018 at 3:32 PM, Count : 170
ছবি- রয়টার্স

ছবি- রয়টার্স

রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে এলেও প্রথমে এ বিষয়ে নীরব ছিলেন দেশটির স্টেট কাউন্সেলর বা কার্যত সরকারপ্রধান অং সান সু চি। এরপর নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষে সাফাই গাওয়ার ভূমিকায় নামেন তিনি। সবশেষ তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, ‘রাখাইন ইস্যু’ আরও ভালোভাবে সামাল দিতে পারতো তার সরকার।

 
 
তবে এমন স্ববিরোধী অবস্থানের কারণে তুমুল সমালোচিত সু চি এতোদিন পরে এসে আজ বৃহস্পতিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরামে স্বীকার করে নেন, তার সরকার ও প্রশাসন আরও ভালোভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতো। সু চি বলেন, এখন ভাবলে মনে হয়, অবশ্য কিছু উপায় ছিল যার মাধ্যমে পরিস্থিতিটা আরও ভালোভাবে সামাল দেওয়া যেত।

তবে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়নের খবর প্রকাশ করায় আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্সের দুই প্রতিবেদকের কারাদণ্ডের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন শান্তিতে এই নোবেলজয়ী। মিয়ানমানের গণতান্ত্রিক নেত্রীর দাবি, তাদের প্রতি ন্যায়সঙ্গত আচরণই করা হয়েছে। তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়নি, কারণ তারা সাংবাদিক। তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, কারণ ... আদালত মনে করেছেন, তারা দেশের গোপনীয়তার আইন লঙ্ঘন করেছেন।


অং সান সু চি বলেন, ২০১৭ সালের ২৩শে নভেম্বর রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমঝোতা স্মারক সই হয়। সে অনুযায়ী, প্রথম দফায় প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা ছিল ২৩শে জানুয়ারি। কিন্তু সেসময় বাংলাদেশ বলেছিল তারা প্রস্তুত নয়। এখানে দুই দেশের কার্যক্রম জড়িত, একার পক্ষে কিছু করা সম্ভব নয়। আমরা তাদের বাংলাদেশ থেকে গ্রহণ করবো। এছাড়া, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যে অভিযান আমাদের সেনাবাহিনী চালিয়েছে, তার শতভাগ দায় মিয়ানমার সরকারের।


প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলে গত বছর ২৫ অগাস্ট থেকে রাখাইনে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন শুরু হলে গত এক বছরে ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এর আগেও বিভিন্ন সময় আরও কয়েক লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। অবশ্য আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি করলেও এখনও প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি।


দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162