বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৮ | ২, কার্তিক, ১৪২৫
 / রাজনীতি / বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়া
মাসুদ শায়ান, ডেসটিনি অনলাইন :
Published : Saturday, 6 October, 2018 at 9:34 PM, Update: 06.10.2018 9:37:46 PM, Count : 163
বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়া

বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়া

* ৫ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন
* হাসপাতাল মুখ্য নয়, সুচিকিৎসা চাই : ফখরুল
* নতুন বোর্ডের সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি ও নুকুল কুমার দত্ত আ’লীগপন্থী স্বাচিবের সদস্য-বিএনপি



কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)-তে ভর্তি করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য ৫ সদস্যের মেডিকেল টিম গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিএনপি দাবি করেছে, আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে মেডিকেল বোর্ডে দুজন স্বাচিব সদস্যকে যুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (৬ অক্টোবর) বিকালে তাকে আনা হয়েছে। বিকাল ৩টা ৪১ মিনিটে বিএসএমএমইউ’র প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছান তিনি। এর আগে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরান কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কঠোর প্রহরার মাধ্যমে বিকাল ৩টা ১০ মিনিটে তাকে নিয়ে রওনা হয় কারা কর্তৃপক্ষ। খালেদা জিয়াকে ভর্তি করায় বিএসএমএমইউসহ আশপাশের এলাকা সশস্ত্র পুলিশ পাহারা রয়েছে। এদিকে প্রবল বৃষ্টি সত্ত্বেও সেখানে দলীয় নেত্রীকে এক পলক দেখার জন্য ভিড় করে বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী। পুলিশি ব্যারিকেডের কারণে কাছে আসতে না পারলেও তারা খালেদা জিয়ার নামে স্লোগান দিতে থাকে এসময়। দলের নেতা-কর্মীদের পরে বিএসএমএমইউ ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়া হয়। খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউ আনার খবরে সেখানে উপস্থিত হন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির শীর্ষ নেতা ও আইনজীবীরা। এছাড়াও খালেদা জিয়াকে দেখতে বিএসএমএমইউ’র সামনে জড়ো হন মহিলা দলসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা। বিএসএমএমইউ’র সামনে উপস্থিত বিএনপির নেতাদের মধ্যে ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নাল আবদিন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, দলীয় নেতা ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া প্রমুখ।

বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লকের ৬১২ নম্বর কক্ষে খালেদা জিয়াকে রাখা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউয়ে রাখার জন্য কেবিন ব্লকের ওই কক্ষে সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এদিকে, খালেদা জিয়াকে গাড়ি থেকে নামিয়ে বিএসএমএমইউ’র কেবিন ব্লকে নেয়ার জন্য দুটি হুইল চেয়ার এনে রাখা হয়। এর একটিতে করে তাকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গৃহকর্মী ফাতেমাও রয়েছেন। এসময় খালেদা জিয়ার ব্যবহার্য সামগ্রীগুলোও গাড়ি থেকে নামিয়ে কেবিন ব্লকে নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ) কৃষ্ণপদ রায় বলেছেন, খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনার বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ আমাদের সহযোগিতা চেয়েছিল। আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি। তারা আমাদের যেভাবে বলেছেন, আমরা সেভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। খালেদা জিয়ার জন্য আদালতের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এর সদস্যরা হচ্ছেন কার্ডিওলজির অধ্যাপক সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জী, রিউমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ আতিকুল হক, অর্থোপেডিক বিভাগের অধ্যাপক নকুল কুমার দত্ত, মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল জলিল চৌধুরী, ফিজিক্যাল মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক বদরুন্নেসা আহমেদ। এর মধ্যে তিনজন খালেদা জিয়ার নিযুক্ত চিকিৎসক, বাকি দুজন সরকার নিযুক্ত নিরপেক্ষ চিকিৎসক।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদন্ড প্রাপ্ত হয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বয়সজনিত বিভিন্ন রোগে ভোগার কারণে আদালত তাকে কারাগারে থেকে বিএসএমএমইউ-এ ভর্তির নির্দেশ দিয়েছেন গত ৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার।

৪ অক্টোবর হাইকোর্টের এক আদেশে বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়া চাইলে তার পছন্দ মতো ফিজিওথেরাপিস্ট, গাইকোনকলজিস্ট ও টেকনিশিয়ান নিতে পারবেন। এমনকি তিনি বাইরে থেকেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে মেডিকেল বোর্ডের অনুমতি লাগবে। ওই আদেশে বেগম খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে ও চিকিৎসাসেবা শুরু করতে ৫ সদস্যের একটি বোর্ড গঠন করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ৯ সেপ্টেম্বর ইউনাইটেড বা বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিতে নির্দেশনা চেয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে রিট করেন তার আইনজীবীরা। এর আগে কারাগারে নেয়ার পর থেকেই খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার দাবি জানান তার আইনজীবী ও দলীয় নেতারা। এক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার পছন্দ ছিল বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতাল। তবে সরকার কারাবিধি অনুযায়ী তাকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার কথা জানায়। এক্ষেত্রে বিএসএমএমইউসহ কয়েকটি সরকারি হাসপাতালের প্রস্তাব দেয়া হয় খালেদা জিয়াকে। কিন্তু, এর কোনোটিতেই চিকিৎসা নিতে রাজি হননি তিনি।  এ অবস্থায় এপ্রিল মাসের শুরুতে প্রথম তার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে সরকার। গত ৭ এপ্রিল এই বিএসএমএমইউতেই নিয়ে এসে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয় তার। তবে তখন গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি। কিন্তু, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত সমস্যা ও হাসপাতালে ভর্তি বিষয়টি গত ৬ মাস ধরেই আলোচনায় ছিল। এ নিয়ে বিএনপি নেতাদের দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে সরকারি দল ও জোটভুক্ত দলগুলোর নেতারা প্রচুর রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। এরপর গত ৯ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবিতে আদালতে একটি রিট আবেদন করা হয়। একইদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি দল ৮ জন সিনিয়র নেতাসহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দেখা করে আবারও কারাবন্দি খালেদা জিয়ার পছন্দ অনুযায়ী রাজধানীর কোনো বিশেষায়িত হাসপাতালে তার চিকিৎসা করানোর অনুরোধ জানায়।

হাসপাতাল মুখ্য নয়, সুচিকিৎসা চাই : ফখরুল

বিশেষায়িত হাসপাতাল ইউনাইটেডে চিকিৎসা নেয়ার বিষয়ে শুরু থেকে অনড় অবস্থানে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দলটির নেতারাও বলছিলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেলে নয়, ইউনাইটেড হাসপাতালেই তাদের দলীয় চেয়ারপারসনের চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশে শনিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলেই চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে খালেদা জিয়াকে। খালেদাকে হাসপাতালে আনার খবরে সেখানে ছুটে যান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ফখরুল বলেন, কোন হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছে সেটা নিয়ে ভাবছি না, আমরা তার সুচিকিৎসা চাই। বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়ে আশাবাদী কি না- এমন প্রশ্নে ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, যেহেতু আদালত বলেছে চেয়ারপারসনের পছন্দ অনুযায়ী তার জন্য নতুন মেডিকেল বোর্ডে তিনজন পছন্দের চিকিৎসক থাকবেন সেহেতু আমরা সুচিকিৎসা নিয়ে আশাবাদী। এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা দলীয় চেয়ারপারসনের সুচিকিৎসা চাই। তিনিও আদালতের নির্দেশে খালেদা জিয়া তার পছন্দের চিকিৎসক পাবেন বলে আশা করেন।

তবে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ড্যাবের মহাসচিব ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বলেছেন, আদালত নির্দেশ দিয়েছিলে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য নতুন মেডিকেল বোর্ডে ড্যাব ও স্বাচিবের (সরকার দলীয় চিকিৎসকদের সংগঠন) কোনো সদস্য থাকতে পারবেন না। খালেদা জিয়ার মতামত নিয়ে তার পছন্দের তিনজন চিকিৎসক বোর্ডে রাখতে হবে। জাহিদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে আনা হয়েছে সাড়ে তিনটার দিকে। কিন্তু বোর্ড গঠন করা হয়েছে তার আগেই। তাহলে তার মতামত নেয়া হলো কখন? এই চিকিৎসকের অভিযোগ করে বলেন, নতুন বোর্ডের সদস্য সজল কৃষ্ণ ব্যানার্জি ও নুকুল কুমার দত্ত স্বাচিবের সদস্য। তিনি মনে করেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেগম খালেদা জিয়ার মতামত না নিয়ে তাড়াহুড়া করে বোর্ড গঠন করেছে। এটা না করলে ভালো হতো। তবে তিনিও খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা চান।

বিএসএমএমইউ’তে নিরাপত্তা জোরদার :

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এজন্য হাসপাতাল এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টার পর থেকেই বিএসএমএমইউ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান নেয়। এছাড়া হাসপাতালের সামনের গেইটে অবস্থান করা গাড়ি সরিয়ে দিয়ে রাস্তা ফাঁকা করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে রমনা জোনের ডিসি মারুফ হোসেন সরদার গণমাধ্যমকে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হচ্ছে। এজন্য তার নিরাপত্তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

কেবিনে যেসব সুবিধা পাবেন খালেদা জিয়া :

কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নতুন ঠিকানা হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেবিন ৬১২। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিএসএমএমইউর এক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, কারাবিধি অনুসারে খালেদা জিয়ার জন্য ডিলাক্স কেবিন ইস্যু করা হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ৬১২ নম্বর কেবিনে থাকলেও তার জন্য পাশের ৬১১ নম্বর কেবিনটিও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ওই কক্ষে তার সহকারী বা কারা নিরাপত্তারক্ষীরা থাকতে পারবেন। চলতি বছরের ৭ এপ্রিল বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য কারাগার থেকে বিএসএমএমইউতে নেয়া হয়েছিল। তখন তাকে ৫১২ নম্বর কেবিনে রাখা হয়েছিল। ছয় মাস পর আজ তাকে আবারও চিকিৎসার জন্য বিএসএমএমইউতে নেয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, হাসপাতালের কেবিন ব্লকের ছয়তলার ৬১২ নম্বর কক্ষটি ডিলাক্স কেবিন নামে পরিচিত। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনটির ভেতরে দুটি খাট, টিভি ও অ্যাটাচড বাথরুম রয়েছে। কক্ষের পাশেই রয়েছে এক সেট সোফা। এছাড়া এটির ভেতরে কলিং বেল রয়েছে, যাতে করে রোগী প্রয়োজন হলে নার্স বা অন্য কাউকে ডাকতে পারেন। খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে শুনে ৬১১ ও ৬১২ কেবিনটি ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। নাজিমউদ্দিন রোডের পরিত্যক্ত কারাগারটিতে একমাত্র বন্দি হিসেবে রয়েছেন ৭৩ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। জিয়া এতিমখানা দুর্নীতির মামলায় গত ফেব্রুয়ারিতে রায়ের পর থেকে তিনি বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।



দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162