সোমবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৮ | ২৬, অগ্রহায়ণ, ১৪২৫
 / মতামত / রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : ব্যর্থতার দায় কার
করীম রেজা, ডেসটিনি অনলাইন :
Published : Wednesday, 28 November, 2018 at 9:01 PM, Count : 261
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : ব্যর্থতার দায় কার

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : ব্যর্থতার দায় কার

শুরু হওয়ার আগেই হোঁচট খেলো রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফেরত যাওয়ার প্রক্রিয়াটি। অসমন্বয় দিয়ে আন্তর্জাতিক সমাজ তথা জাতিসংঘের সঙ্গে বোঝাপড়া ছাড়াই মিয়ানমার ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু সফল হলো না। কারণ হিসেবে রোহিঙ্গাদের ফিরে যেতে অনীহার বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ ব্যর্থ হলেও এই পর্বে মিয়ানমার সার্থক। মিয়ানমার সরকার এক বছরেরও বেশি সময় সারাবিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের, সংস্থার চাপের কারণে যে কোনো উপায়ে মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছিল। প্রত্যাবাসন  শুরু করলে আন্তর্জাতিক চাপ কিছুটা হলেও কমবে। কিন্তু আরও জোরালো হলো মিয়ানমারের অভিযোগ যে, বাংলাদেশই প্রত্যাবাসন শুরু করতে পারেনি।

সমস্যার শুরু থেকেই রোহিঙ্গাদের ফেরত দিতে পারছে না বলে মিয়ানমার সবসময় অভিযোগের আঙুল বাংলাদেশের দিকে তুলেছে। নিজেরা নির্দোষ থেকেছে। রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত এই কথা বলে আন্তর্জাতিক সমাজের মনোযোগ কাড়তে চেষ্টা করেছে। বরাবর মিয়ানমার রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে।  এমনকি আন্তর্জাতিক আদালত, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির অভিযোগ, জাতিসংঘের অভিযোগ, মানবাধিকার কমিশন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, তুরস্ক এবং বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে, অস্বীকার করেছে। দায় চাপিয়েছে ‘আরসা’ নামে কল্পিত, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তৈরি করা একটি সংগঠনের ওপর। তথাকথিত সীমান্ত চৌকিতে আক্রমণের খোঁড়া অজুহাতে মিয়ানমার নির্মম অমানবিকতা আড়াল করতে চেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ মিয়ানমারের প্রত্যাবর্তন নামক ফাঁদে পা দিয়ে রোহিঙ্গা সমস্যা আরও প্রলম্বিত করল।

এই ধরনের প্রমাদমূলক সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আগেও নেওয়া হয়েছে। এর পেছনে কাদের উর্বর মাথা জড়িত রয়েছে তার খোঁজ নেওয়া দরকার জাতীয় স্বার্থে। চীন, ভারত, রাশিয়া ও জাপানের প্রচ্ছন্ন, প্রকাশ্য চাপের মুখে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা বিষয়ে মিয়ানমারের চাপিয়ে দেওয়া শর্তসমূহ মেনে আসছে। অবর্ণনীয়, অমানবিক, আতঙ্কজনক পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসে প্রাণ রক্ষা করেছে। স্বাভাবিকভাবেই অধিকার ফিরে পাওয়ার নিশ্চয়তা না পেলে তারা যাবে না। রয়েছে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রচার-প্ররোচনা। তাই মিয়ানমারে জাতিসংঘ প্রতিনিধির সার্বক্ষণিক উপস্থিতি ও তদারকি ছাড়া রোহিঙ্গাদের জীবনযাপন ও বসবাস কোনোভাবেই নিরাপদ ও সংকটমুক্ত নয়।

রোহিঙ্গা সংকটের উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে সুবিধা নেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হয়েছে মিয়ানমারকে বারংবার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। রোহিঙ্গাদের নাম নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের ইউএনএইচসিআরকে সংযুক্ত না করে কাজ শুরু করা হয়। দ্বিতীয় দফায় তাদের সঙ্গে নিয়েও মিয়ানমারের আপত্তিতে নতুন করে আবার আঙুলের ছাপসহ আরও কিছু তথ্য একত্রিত করে নিবন্ধন তালিকা করা হয়। প্রশ্ন হতেই পারে- প্রথমেই কেন সংশ্লিষ্ট এই দুইপক্ষকে অঙ্গীভূত করে করা হয়নি? অভিজ্ঞ লোকতো পররাষ্ট্র দফতরে কম ছিল না। তদুপরি এই সমস্যা বাংলাদেশের কাছে নতুন কিছু নয়। এতে সুবিধা পেল মিয়ানমার। সময় পেল বিশ্ব সমাজকে প্রভাবিত করার জন্য নতুন পরিকল্পনার, ছলচাতুরি বিশ্বের গণমাধ্যমে প্রচারের সুযোগ পেল।

কয়েক লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে আসার বিশ্বাসযোগ্য বিবরণ, ছবি, ভিডিও, সাক্ষাৎকার, সুরতহাল অবস্থা ইত্যাদি আমাদের হাতে থাকার পরেও যথেষ্ট নির্ভরযোগ্যভাবে বিশ্বসমাজে তেমনভাবে প্রচার করিনি। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার জন্য প্রশংসা করেছে; পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেছে। বাংলাদেশ সেই অঙ্গীকারের সদিচ্ছা কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টির ব্যবস্থা নিতে সার্থক হলে আজকের পরিস্থিতি অবশ্যই অন্যরকম হতো। বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমারের কৌশলের কাছে খুব সুবিধা করে উঠতে পারেনি। এছাড়া শুরু থেকেই সারাবিশ্ব জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্তির কথা বললেও মিয়ানমার তা কখনোই চায়নি।

প্রায় আট হাজারের মতো ফিরে যেতে ইচ্ছুক রোহিঙ্গা নাগরিকের তালিকা মিয়ানমারকে প্রথমে দেওয়া হয়। কিন্তু মাত্র পাঁচ হাজারের মতো লোকজনকে ফেরত নিতে স্বীকৃত হয়। বাকি লোকদের কোন যুক্তিতে মিয়ানমার গ্রহণ করতে রাজি নয় সেই প্রশ্নটিই বিশ্ববাসীর সামনে আনা খুব জরুরি। সেই যুক্তির অসারতা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়নি কার স্বার্থে! বর্তমান সমস্যা না মিটিয়ে ভবিষ্যতের জন্য আলাদা করে রেখে দিলে বাংলাদেশের আদৌ লাভ কত তার বিশ্লেষণ দরকার।

প্রত্যাবাসন চুক্তিতে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরে আসা ৭-৮ লাখ রোহিঙ্গার বিষয়টি একমাত্র বিবেচনাযোগ্য। তার আগে নানা সময়ে বাংলাদেশে আসা ৩-৪ লাখ রোহিঙ্গার রাখাইনে ফিরে যাওয়া আলোচনার অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় যত সহজে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব তা অতীতে ছিল না। ভবিষ্যতে এমন অবস্থা বিরাজমান থাকবে কিনা তা নিশ্চিতভাবে এখনই বলা সম্ভব নয়। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশ কৌশল গ্রহণে একটু পিছিয়ে থাকল কি?

প্রথম পর্যায়ে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য তালিকাভুক্ত দুই হাজার লোকের মধ্যে মিয়ানমারের প্রকৃত নাগরিকের সংখ্যা কয়েকশ। তারা আবার সংখ্যালঘুর মধ্যে সংখ্যালঘু। মিয়ানমারের বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর প্রথম এবং প্রধান আক্রোশ রোহিঙ্গা মুসলিম সমাজের ওপর। কিছু সংখ্যক হিন্দু পরিবার সেখানের বাসিন্দা। এদের কেউ কেউ ভয়ে দেশান্তরী হয়ে বাংলাদেশ আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের আগে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, বিষয়টি পরিষ্কার নয়। স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে ইচ্ছুকদের সঙ্গে জাতিসংঘ প্রতিনিধি আলোচনা শুরু করে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সিদ্ধান্ত হলেও অদৃশ্য কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, জাতিসংঘ যৌথভাবে মতামত যাচাই এবং কাউন্সেলিংয়ের আয়োজন করেনি। শেষ মুহূর্তে প্রত্যাবাসন আরম্ভের দু-একদিন আগে মতামত যাচাই কি লোক দেখানো?

রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার ফিরে পাওয়া, অবাধ চলাফেরা, নিজস্ব বাড়িঘর, জমি-জিরেত ফেরত পাওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত না করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠালে বাংলাদেশের জন্য কি সুবিধা পাওয়া সম্ভব? অং সান সু চিসহ মিয়ানমার সামরিক বাহিনী এ পর্যন্ত তাদের কথা ও কাজে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আন্তরিকতার কোনো স্বাক্ষর রাখেনি। চুক্তি ভঙ্গ, ছল-চাতুরির অতীত নজির যেমন আছে, আছে বর্তমানেরও। এতসব জানার পরেও বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা কোনো ভরসায় ছোট ছোট দলে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাবেন নিরাপত্তার বিষয়টি একেবারে আমলে না নিয়ে! জাতিসংঘের অভিবাসী সংস্থা ফিরে যাওয়া রোহিঙ্গা দলের সার্বিক দায়িত্বে থাকলে রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর ফিরে যেতে অনীহার কোনো কারণ থাকত না। যে কোনো সামান্য মানুষই তা বুঝতে পারে।

শেষ পর্যন্ত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি যখন ভুল হয়ে গেল তখন প্রকাশ হতে থাকলো তাদেরকে রেশন দেওয়ার বিষয়, প্রচার হতে থাকলো শেষ মুহূর্তে তাদের মতামত নেওয়ার বিষয়, প্রকাশ পেল তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হিন্দু সংখ্যালঘু এবং প্রকৃত রোহিঙ্গা নাগরিক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সব কিছু মিলিয়ে মিয়ানমারের সুবিধার্থেই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান মনে করা হলে কাউকে দোষ দেওয়া যাবে না।

বাংলাদেশ যদি রোহিঙ্গাদের ফিরে যেতে এতটাই সহযোগিতার উদ্যোগ নিয়ে থাকে তাহলে সেখানে ফিরে গিয়ে তারা যে আবারও নির্যাতিত হয়ে বাংলাদেশেই আবার আগের মতো ফিরে আসবে না, তার নিশ্চয়তা বিধান না করে কোন ভরসায় বাংলাদেশ, কার আশ্বাসে এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট; বিষয়টি বোধকরি বাংলাদেশ এবং বিশ্বের জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আগের দিন জাতিসংঘ জোরালোভাবে বাংলাদেশের কাছে অনুরোধ করেছে তাদেরকে মিয়ানমারে ফেরত না পাঠাতে। কিছুদিন আগে বিভিন্ন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান সেনা নিয়ন্ত্রিত হয়ে রাখাইন এলাকা সীমিত পরিদর্শন শেষে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, সেখানে ফিরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি। বাংলাদেশেরও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি প্রতিনিধিদল সম্প্রতি সেখান থেকে ঘুরে এসেছে। তাদেরও একই মতামত। তার পরেও চীনের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠানের পরপরই খুব তাড়াহুড়ো করে মিয়ানমারের সঙ্গে এই প্রত্যাবাসনের শর্তসমূহ নির্দিষ্ট করে দিন তারিখ ঠিক করা হয়।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। সেই অবস্থার কোনোরকম পরিবর্তন অথবা হুমকি নিরসনের কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে- বাংলাদেশ যদি রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠায় বা আজকে যদি ফেরত পাঠাতে পারত তাহলে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেত না। মিয়ানমার এমনিতেই নির্লজ্জের মতো, চোরের মায়ের বড় গলার মতো করে নানারূপে নানা প্রকারে মিথ্যাচার করে আসছে। সেই সুযোগটি আরও কয়েকগুণ বেড়ে যেত আজকে রোহিঙ্গাদের একটি পরিবারও যদি মিয়ানমারে ফেরত যেত।

১১-১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয়ের কারণে কক্সবাজারে বহুমুখী সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে ভাসানচরে মাত্র ১ লাখ শরণার্থী স্থানান্তর করে স্থানীয় পরিবেশের কি উন্নতি হবে তা কিন্তু এখনো পরিষ্কার নয়। এই সিদ্ধান্ত বিশ্ববাসীর কাছে ভিন্ন বার্তা দেয়। আগ্রহীদের মতামত যাচাই সমস্যার আরেকটি ভিন্ন মাত্রা তৈরি করবে। এ পরিকল্পনা কারা, কেন করেছে, খোলাসা নয়। দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে রোহিঙ্গাদের বিদেশ যাওয়া ঠেকানো যাচ্ছে না। সৌদি আরব রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে না পাঠিয়ে বাংলাদেশ পাঠাবে। তারা প্রকৃতই মিয়ানমারের নাগরিক হয়েও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী। অনুরূপভাবে তথাকথিত আমাদের নির্ভরশীল প্রতিবেশী ভারত তার দেশে আশ্রিত কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠাবার পাঁয়তারা করছে। তাদের এই আচরণের কারণে মনে হতেই পারে রোহিঙ্গাদের ঠিকানা মিয়ানমারে নয়, যেন বাংলাদেশ।

বাংলাদেশি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তিরা অত্যন্ত চৌকস। নানা রকম তথ্য-উপাত্তের জোরে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেন, উৎসাহিত করেন। কিন্তু প্রায়ই আপাত বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তীকালে দেশের অমঙ্গল তথা সমস্যা ঘনীভূত করতেই ভূমিকা রাখে। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর। যেনতেনরূপে তৃতীয় কোনো দেশের চাপে, মিয়ানমারকে নির্ভরযোগ্য ভেবে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সুবিধা নিশ্চিত না করে, সংকটের সম্ভাবনা দূর না করে, পরবর্তী কার্যক্রম না নেওয়া এই মুহূর্তে সবচেয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে। বিলম্বিত হলেও কল্যাণকর স্থায়ী সমাধানই লক্ষ্য হওয়া উচিত।


করীম রেজা
লেখক : কবি, শিক্ষাবিদ ও কলামলেখ


দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162