আজ বুধবার, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ
 / মতামত / প্যারাডাইস পেপার্স সারাবিশ্বে সমস্যা
মোমিন মেহেদী
Published : Wednesday, 6 December, 2017 at 5:04 PM, Count : 74
প্যারাডাইস পেপার্স সারাবিশ্বে সমস্যা

প্যারাডাইস পেপার্স সারাবিশ্বে সমস্যা

সারাবিশ্বে সব অন্যায় আর অপরাধের কথা তুলে ধরে অতীতেও বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হয়েছে কিন্তু তাতেও কিছু যায়-আসেনি আমাদের রাজনীতিকদের। এই রাজনীতিকদের জন্য নিরন্তর উদাহরণ হলো- প্যারাডাইস পেপার্স। এবার আরো আশ্চর্য করে দিয়ে প্যারাডাইস পেপার্সের তালিকায় ব্রিটেনের রাণীসহ বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গোপনে বিপুল পরিমাণ অর্থ কর স্বর্গ হিসেবে পরিচিত দেশ ও অঞ্চলের অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যমন্ত্রীর মালিকানা থাকা একটি কোম্পানির যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রুশ কোম্পানির সঙ্গে লেনদেন করার তথ্যও এসেছে।প্যারাডাইস পেপার্স নাম দিয়ে এক কোটি ৩৪ লাখ গোপন নথি ফাঁস করা হয়েছে যার অধিকাংশই বারমুডাভিত্তিক আইনি সহায়তাদাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলবি থেকে পাওয়া গেছে। অফশোর ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ পর্যায়ের সেবাদাতা এই প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের কর ফাঁকির পথ বাতলে দেয়। গত বছর ফাঁস হওয়া পানামা পেপার্সের মতো এবারও এসব নথি প্রথমে জার্মান দৈনিক জিদদয়চে সাইচুংয়ের হাতে আসে। সেসব নথি ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টসকে (আইসিআইজে) দিয়েছে তারা। আইসিআইজের কাছ থেকে সেসব নথি পেয়েছে বিবিসি, গার্ডিয়ানসহ বিভিন্ন দেশের ১০০টি সংবাদমাধ্যম। এখন চলছে এসব নথির বিশ্লেষণ। এসব নথিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কয়েকশ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কর ফাঁকি ও গোপন আর্থিক ব্যবস্থাপনার তথ্য উঠে এসেছে। শুধু এখানেই শেষ নয়; রাজনীতিবিদ, দ্বৈত নাগরিক, উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা কীভাবে কর ফাঁকি দিত বা গোপনীয়তার আবরণে নিজেদের লেনদেন ঢাকতে জটিল কাঠামোর ট্রাস্ট, ফাউন্ডেশন ও শেল কোম্পানি গড়ে তুলছেন তা উঠে এসেছে অনেক নথিতে।রানির সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রকাশিত তথ্য ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ব্যক্তিগত অর্থের প্রায় এক কোটি পাউন্ড অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগ হয়েছে। ডাচি অব ল্যাঙ্কাস্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব অর্থ কেইম্যান আইল্যান্ডস ও বারমুডায় গেছে। ওই প্রতিষ্ঠানটি রাণীর ব্যক্তিগত সম্পদ ৫০ কোটি পাউন্ডের বিনিয়োগ দেখভাল করে এবং তার হাতে মুনাফা তুলে দেয়। এই বিনিয়োগে অবৈধ কিছু নেই এবং রাণী কর দিচ্ছেন না বলেও এটা ইঙ্গিত করে না। তবে রাজপরিবার অফশোর কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে পারে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে।গ্রাহক ঠকানোয় সমালোচিত ব্রিটিশ কোম্পানি ব্রাইট হাউসেও রানির বিনিয়োগ রয়েছে। যুক্তরাজ্যজুড়ে কিস্তিতে ইলেকট্রনিক, গৃহস্থালি পণ্য ও আসবাব সরবরাহ করে ব্রাইট হাউস। কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ গ্রাহকদের সঙ্গে তাদের অসদাচরণ সংবাদ শিরোনাম হয়েছে। বিপুল অংকের কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। আমাদের রাজনৈতিক কালো মানুষদের সারিতে অনেক আগে থেকেই শীর্ষ পদে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট আর তার মন্ত্রী পরিষদের মন্ত্রীগণ। তারও একটা প্রমাণ প্যারাডাইস পেপার্সে উঠে এসেছে ট্রাম্পের মন্ত্রীর তথ্য দিয়ে। নব্বইয়ের দশকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেউলিয়া হওয়া থেকে রক্ষা করেছিলেন উইলবার রস। প্রেসিডেন্ট হয়ে তাকে বাণিজ্যমন্ত্রী করেন ট্রাম্প। ফাঁস হওয়া নথিতে দেখা গেছে, রস একটি শিপিং কোম্পানি থেকে লাভের অর্থ নেন, যারা প্রেসিডেন্ট  ভ্লাদিমির পুতিনের জামাতা ও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা দুই রুশের মালিকানাধীন জ্বালানি কোম্পানিকে তেল ও গ্যাস সরবরাহ করে বছরে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করছে। এই তথ্য ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনে রাশিয়ার যোগাযোগ নিয়ে আবারো প্রশ্ন তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের পক্ষে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ নিয়ে এখনো গলদ্ঘর্ম তিনি।উইলবার রস ছাড়াও ট্রাম্পের মন্ত্রিসভার সদস্য, অর্থদাতা ও মিত্র ডজনখানেক ব্যক্তির নাম এসব নথিতে উঠে এসেছে বলে আইসিজের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। এর বাইরে উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর এক ঘনিষ্ঠজনের অফশোর কোম্পানিতে লেনদেনে সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে। স্টিভেন ব্রনফম্যান নামের ওই ব্যক্তি ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টির প্রধান তহবিল সংগ্রাহক। এ ঘটনা কর ফাঁকি ঠেকাতে অফশোর বিনিয়োগ বন্ধের পক্ষে সোচ্চার ট্রুডোর জন্য লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সাবেক ডেপুটি চেয়ারম্যান ও অন্যতম অর্থদাতা লর্ড অ্যাশক্রফটের অফশোর বিনিয়োগের তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অ্যাপল, নাইকি ও উবারসহ প্রায় ১০০ বহুজাতিক কোম্পানির কর পরিকল্পনার বিস্তারিত উঠে এসেছে ফাঁস হওয়া এসব নথিতে।জাল-জালিয়াতি আর অন্যায় যারা করে, তারা ভাবে বুঝি তাদের এই অন্যায় আর কেউ জানতেও পারবে না। কিন্তু তারা জানে না যে, যখনই কোন অন্যায় ঘটনা ঘটে, তখন সেখানে তৃতীয় চোখ এসে উপস্থিত হয়। আর সেই চোখ হলো ন্যায়ের চোখ, সত্যের চোখ। এই চোখ দিয়ে দেখা প্যারাডাইস পেপার্সে কারা আছেন তালিকায়? এমন প্রশ্ন যখন সবার মুখে মুখে; তখন  কিছু নাম তুলে ধরছি- বেলেরিও বোর্গেস, ব্রাজিলের কৃষিমন্ত্রী; উইজলি ক্লার্ক, যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতা; স্যাম কাহাম্বা, উগান্ডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী; আলফ্রেড গুজেনবার, অস্ট্রিয়ার সাবেক চ্যান্সেলর; প্রিন্স খালেদ বিন সুলতান বিন আবদুল আজিজ, সৌদি আরবের সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক ডেপুটি মিনিস্টার; অ্যানা কোলারেভিস, মন্টেনেগ্রোর সাবেক নেতার বোন; মুধার গাসান শওকত, ইরাকের সাবেক সংসদ সদস্য; অ্যান্টন প্রিগোডক্সি, ইউক্রেনের সাবেক সংসদ সদস্য; স্যালি কোসেগি, কেনিয়ার সাবেক কৃষিমন্ত্রী; মুখতার অ্যাবিয়াজোভ, কাজাখস্তানের সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী; সাওয়াত মুখামেমতায়েভিজ, কাজাখস্তানের সাবেক গ্যাস ও তেলমন্ত্রী; আলেজান্দ্রো গার্টজ ম্যানেরো, মেক্সিকোর সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা সচিব; ইব্রাহিম মাহামা, ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্টের ভাই; টমি সুহার্তো, ইন্দোনেশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ছেলে; হোসে মারিয়া ফিগুয়েরেস, কোস্টারিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট; জ্যাঁ ক্রেটিনসহ, কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী; পল মার্টিন, কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী; ব্রায়ান মুলরনি, কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী; ইউকিও হাতোয়ামা, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী; শওকত আজিজ, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী; পেনি পিৎজার, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বাণিজ্য সচিব; জেমস মেয়ার স্যাসন, যুক্তরাজ্যের সাবেক ট্রেজারি কমার্শিয়াল সেক্রেটারি; কার্লোস কুইন্টানিলা স্মিড, এল সালভাদরের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট; অ্যান্টানাসা গগা, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য লিথুনিয়া; রবীন্দ্র কিশোর সিনহা, ভারতের সংসদ সদস্য; জয়ন্ত সিনহা, ভারতের বেসামরিক বিমানমন্ত্রী; বেইবুত অ্যাটামকুলভ, কাজাখস্তানের বিমান ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী; হেনরিক দ্য ক্যাম্পোস, ব্রাজিলের অর্থমন্ত্রী; হ্যাকাইন্ডি স্যামি হিচিলেমা, জাম্বিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা; প্রাবোয়ো সুবিয়ানেস্তা, ইন্দোনেশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা; বুকোলা সারাকি, নাইজেরিয়া সিনেটের প্রেসিডেন্ট; রামি মাকলফ, সিরিয়ার ্েরপ্র্রসিডেন্টের আত্মীয়; হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস, কলাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট; এলেন জনসন সারলিফ, লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট; একরাম ও বুলেন্ট ইলদিরিম, তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর ছেলে; নূর আল হোসেন, জর্ডানের রাণী; রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, ব্রিটেনের রাণী; উইলবার লুইস রস জুনিয়র, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী; রেক্স টিলারসন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী; ভ্যালেরি ভসচোভেস্কি, ইউক্রেনের উপপ্রধানমন্ত্রী; মরিসিও মাকরি, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট; বিডজিনা ইভানিসভিলি, জর্জিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী; সিগমুডুর ডেভিড গানলাগসন, আইসল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী; আয়াদ আওয়ালী, ইরাকের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আলী আবু আল রাগিব, জর্ডানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাম্মাদ বিন জসিম বিন জাবের আল থানি, কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাম্মাদ বিন খলিফা আল থানি, কাতারের সাবেক আমির সালমান বিন আবদুল আজিজ বিন আবদুল রহমান আল সৌদ, সৌদি আরবের বাদশা; পাবলো আজরেঙ্কো, ইউক্রেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী; পেত্রো প্রসেঙ্কো, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ, আজারবাইজানের প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার সুখবাতারন ব্যাটবোল্ড, মঙ্গোলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবল, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ডেং জিয়ানগুই, চীনের প্রেসিডেন্টের শ্যালক লি শাওলিন, চীনের সাবেক নেতার মেয়ে আর্কাডি ও বরিস রোটেনবার্গ, ভ্লাদিমির পুতিনের ছোটবেলার বন্ধু সের্গেই রোলডুগিন, পুতিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রামি ও হাফেজ মাখলুফ, সিরিয়ার বাশার আসাদের চাচাতো ভাই ইয়ান ক্যামেরন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাবা আলা মুবারক, মিসরের সাবেক প্রেসিডেন্টের ছেলে মুনির মাজিদি, মরক্কোর বাদশার ব্যক্তিগত সচিব; মরিয়ম, হাসান ও হুসেইন, পাকিস্তানের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ছেলেমেয়ে জন আডো কুফর, ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্টের ছেলে নাফিজউদ্দিন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ড্যানিয়েল মুনজ, আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্টের বন্ধু জুয়ান আরমান্ডো, মেক্সিকো প্রেসিডেন্টের প্রিয়ভাজন ঠিকাদার পিলার দ্য বোরবন, স্পেনের সাবেক রাজা জন ক্লদ, আইভরি কোস্টের সাবেক প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ; ক্লিভ কুলভুস জুমা, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের ভাইয়ের ছেলে মাদাম তুর, গায়ানার সাবেক   স্বৈরশাসকের স্ত্রী মোহাম্মদ মুস্তাফা, ফিলিস্তিন বিনিয়োগ তহবিলের পরিচালক পেড্রো দেলগাডো, ইকুয়েডরের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর; স্ট্রাভরোচ পাপাসতাভরো, গ্রিক প্রেসিডেন্টের সাবেক পরামর্শক; জায়নেট ডেসিরি কাবিলা, কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট; নুরালি আলিয়েভ, কাজাখাস্তানের মেয়র; রিকার্ডো ফাঙ্কোলিনি, পানামা রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের প্রধান সিজার আলমেইদা, পেরুর গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান; আবদেসালাম বোকোরায়েভ, আলজেরিয়ার শিল্প ও খনিমন্ত্রী; হোসে মারিয়া, অ্যাঙ্গোলার পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী; নেস্তর গ্রিনদেত্তি, বুয়েনস আয়ারসের অর্থমন্ত্রী; আং ভং ভাথানা, কম্বোডিয়ার আইনমন্ত্রী; জেরোমি চাওজ্যাক, ফ্রান্সের সাবেক মন্ত্রী; ব্রায়ান বেনেডিকসন, আইসল্যান্ডের অর্থমন্ত্রী; ওরফ নরডল, আইসল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; কনরাড মিজি, মাল্টার জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী; জোয়াও লিরা, ব্রাজিলের সংসদ সদস্য; গ্যালো চিরিবগা, ইকুয়েডরের আইনজীবী; সোল্ট হরভাল্ট, হাঙ্গেরি অ্যাসেম্বলির সদস্য; কল্পনা রাওয়াল, কেনিয়ার সুপ্রিম কোর্টের উপপ্রধান বিচারক; পাওয়েল পিসকোরোস্কি, ওয়ারশর সাবেক মেয়র; মোহাম্মদ বিন নায়েফ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স; পামেলা শার্পলেস, যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের আজীবন সদস্য মাইকেল মেটস, যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের সদস্য জেসাস ভেলনাওয়েভা, ভেনেজুয়েলার তেল কোম্পানির কর্মকর্তা; আলফ্রেডো ওভালি রদ্রিগেজ, চিলির গোয়েন্দা সংস্থার ঘনিষ্ঠ ইয়ান কারবি, বতসোয়ানার জ্যেষ্ঠ বিচারক; জন-রিকার্ড ইতোয়া, কঙ্গোর জাতীয় তেল কোম্পানির প্রধান জেমস ইবোরি, নাইজেরিয়ার সাবেক গর্ভনর ইমানুয়েল নাহিরো, রুয়ান্ডার সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান; আতান সানসোঙ্গা, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত জাম্বিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত ভেক্টর ক্রুজ ওয়েফার, ভেনেজুয়েলার সাবেক সেনাপ্রধান অনুরাগ কেজরিওয়াল, ভারতের রাজনৈতিক দলের নেতা জিয়া কিংলিন, চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ঘনিষ্ঠ এডোয়ার্ডো কুনহা, ব্রাজিলের নেতা; কোজো আনান, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিবের ছেলে গুইসেপ ডোনাল্ডো নিকোসিয়া, ইতালির সিনেটরের ঘনিষ্ঠ সিজার রোজেনথাল, হন্ডুরাসের ভাইস প্রেসিডেন্টের ছেলে কার্লোস গুতেরেজ রোবায়ো, বোগোতার মেয়রের শ্যালক মামাদু পোয়ি, সেনেগালের রাজনীতিবিদের ঘনিষ্ঠ মিকায়েলা ডোমেক, স্পেনের কৃষিমন্ত্রীর স্ত্রী প্যাট্রিক হেনরি ডেভিলার্স, চীনের এক রাজনীতিবিদের স্ত্রীর ব্যবসায়িক অংশীদার এমন অসংখ্য দুর্নীতিবাজের কথা উঠে এসেছে প্যারাডাইস পেপার্স-এ। এখন প্রয়োজন হলো- অন্যায়ের এই খতিয়ান দেখে দেখে পদক্ষেপ নেয়া। বিচারের কাঠ গড়ায় দাড় করানো প্রয়োজন নীরবে নিভৃতে অন্যায়ের রাজত্ব নির্মাণকারী প্রতিটি অপরাধীর। 


দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162