শনিবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮ | ৭, আশ্বিন, ১৪২৫
 / আন্তর্জাতিক / কাশ্মীরে শিশু আসিফা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক : জাতিসংঘ
আসিফাকে কবর দিতেও বাধা, মহিলা আইনজীবীকে হুমকি
ডেসটিনি ডেস্ক,ডেসটিনি অনলাইন :
Published : Sunday, 15 April, 2018 at 9:35 PM, Update: 16.04.2018 1:53:35 AM, Count : 628
কাশ্মীরে শিশু আসিফা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক : জাতিসংঘ

কাশ্মীরে শিশু আসিফা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক : জাতিসংঘ

ভারতনিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে আট বছর বয়সী শিশু আসিফা বানুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে রোমহর্ষক আখ্যায়িত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস। এ ঘটনায় দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, আমরা সবাই এই রোমহর্ষক ঘটনা গণমাধ্যমের বরাতে জানতে পেরেছি। কর্তৃপক্ষের উচিত অপরাধীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা। জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক শুক্রবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেছেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। 

এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতারা। তারা দিল্লিসহ বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। জানুয়ারি মাসের ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ১৯ বছরের এক তরুণকে গ্রেফতার করে। তরুণের জবানবন্দির ভিত্তিতে তার চাচা মন্দিরের (যে মন্দিরে আসিফাকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়) পরিচালক সাবেক সরকারি কর্মকর্তা সানজি রাম এবং পুলিশ কর্মকর্তা দীপক খাজুরিয়াকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার চতুর্থ ব্যক্তি স্পেশাল পুলিশ অফিসার সুরিন্দর কুমার। তাকে প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাস্থলে দেখেছিল। এর পর তাদের মুক্তির দাবিতে ও গোটা ঘটনা কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করাতে জম্মু অঞ্চলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো বিক্ষোভ দেখিয়েছে। এ ছাড়া গ্রেফতার ব্যক্তিরা হিন্দু হওয়ায় হিন্দু-অধ্যুষিত জম্মুর কয়েকটি হিন্দু রাইট-উইং গ্রুপ তাদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। শুধু ধর্মের কারণে এ রকম নৃশংস একটি ঘটনার পরও অভিযুক্তদের মুক্তি দাবি এবং ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীদের তা সমর্থন করায় পুরো ভারত ক্ষোভে ফেটে পড়ে। 

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #Kathua and #justiceforAsifa হ্যাশট্যাগ ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানী দিল্লিতে আসিফা হত্যা মামলায় ন্যায়বিচারের দাবিতে ইন্ডিয়া গেট অভিমুখে ‘ক্যান্ডেললাইট মার্চের’ নেতৃত্ব দেন ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস পার্টির প্রধান রাহুল গান্ধী। রাহুল বলেন, আমরা কি দেখছি, এ দেশে নারী ও শিশুরা ক্রমাগত ধর্ষণ এবং হত্যার শিকার হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি। এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি জাতীয় বিষয়। সোনিয়া গান্ধী ও প্রিয়াংকা ভদ্র গান্ধীও ওই প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেন।

কাশ্মীরে শিশু আসিফাকে কবর দিতেও বাধা!

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের কাথুয়া এলাকায় একটা বড় তৃণভুমি আছে। সাধারণত শীতের সময়টায় যাযাবর বাকারওয়ালা সম্প্রদায়ের লোকজন সেখানেই নিজেদের পশুদের চড়াতে নিয়ে যায়। এলাকাটিতে যাযাবর সম্প্রদায়ের মানুষ খুব বেশি নয়, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা। সেখানেই একটি যাযাবর পরিবারে জন্ম আসিফা বানুর। গত জানুয়ারি মাসে প্রতিদিনের মতোই এক সকালে আট বছর বয়সী আসিফা বানু নিজের বাড়ি থেকে মেষগুলো নিয়ে উপত্যকার মাঠে বেরিয়ে যায়। সেদিন তার পরনে বেগুনি রঙের একটা জামা। একসময় একটা লোক আসিফাকে বনের দিকে যেতে ইশারা করে। আসিফাও কিছু না বুঝে সেই লোকটার পেছন পেছন যায়। পুলিশের বর্ণনানুযায়ী, বনের ভেতরে যাওয়ার পর পরই আসিফাকে ঘাড়ে ধরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘুমের ওষুধ খেতে বাধ্য করা হয় তাকে। এরপর ওই লোকটি বন্ধুদের সহায়তায় আসিফাকে বনের একটি মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখে। পরের তিনটি দিন অন্তত তিনজন মিলে আসিফার ওপর গণধর্ষণ চালায়। শেষটায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় মেয়েটিকে। হত্যার আগেও নাকি শেষবারের মতো তাকে ধর্ষণ করতে চেয়েছিল এক ধর্ষক। 

বেশ কয়েক দিন পর বনের মধ্যে আসিফার থেঁতলে যাওয়া মৃতদেহ পাওয়া যায়। সেই বেগুনি রঙের জামাটিই পরা ছিল তখন। এই ঘটনা ঘটে এই বছরের ১০ জানুয়ারি। পুলিশের ধারণা, মন্দিরের সেবায়েত সঞ্জিরামের এর সঙ্গে যোগসূত্র থাকতে পারে। চক্রটি আসিফাকে ধর্ষণ ও হত্যার জন্য একটি ‘সফট টার্গেট’ হিসেবে বেছে নিয়েছিল, যাতে ভয়ানকভাবে যাযাবর গোষ্ঠীর লোকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো যায়। আসিফার চাচা মুহাম্মদ জেন আসিফাদের বাড়ি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে বসবাস করেন। জেন বলেন, এটা একটা হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা, যেখানে মাত্র চারটি মুসলিম পরিবার বসবাস করে। দ্ব›দ্বটা মূলত গত বছর শুরু হয়, যখন মুসলিম পরিবারগুলোর কাছে বিক্রি করা এক একর জমি হিন্দুরা ফেরত চায়। এই পরিবারগুলোকে তাড়াতেই এই অত্যাচার শুরু হয়। এমনকি আসিফার মরদেহ ওই এলাকায় কবর দিতেও দেয়নি হিন্দুরা। মুহাম্মদ জেন বলেন, যখন কবর দেয়ার জন্য ওর লাশ এলাকায় নিয়ে আসা হলো, গ্রামের লোকজন আমাদের ওপর আক্রমণ করে। তারা জানায়, জমি ফেরত না পেয়ে তারা আসিফার লাশ কবর দিতে দেবে না। আসিফার এই নির্মম মৃত্যুতে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সাধারণ মানুষ আন্দোলন করলেও হিন্দু স¤প্রদায়ের একটি গোষ্ঠী আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এ ঘটনার আসামিদের রক্ষার জন্য। এ পর্যন্ত এ ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেকেই হিন্দু। আর তাদের বাঁচাতেই এই গোষ্ঠীর আন্দোলন। তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কেউ কেউ মুসলিম হওয়ায় এ তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন হিন্দু স¤প্রদায়ের কিছু নাগরিক। এই সপ্তাহে আসিফার মামলাটির কাগজপত্র জমা দিতে আদালতে গিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এ সময় কিছু হিন্দু আইনজীবী আদালতে ঢুকতে পুলিশ সদস্যদের সশরীরে বাধা দেন। এরপর সন্ধ্যায় গিয়ে কাগজপত্র জমা দিতে হয় তাঁদের। ভারতে এখন এ নিয়ে আন্দোলন আর পাল্টা আন্দোলন চলছেই। গত বুধবার বেশ কিছু হিন্দু নারী এ মামলার আসামিদের পক্ষে হাইওয়ে অবরোধ করে অনশন ধর্মঘট করে। এদের একজন বিমলা দেবী বলেন, তারা আমাদের ধর্মবিরোধী। যদি গ্রেফতার হওয়া হিন্দু স¤প্রদায়ের লোকজনকে ছেড়ে দেওয়া না হয়, আমরা আমাদের জ্বালিয়ে দেবো। আসিফা বানুর বাবা মুহাম্মদ ইউসুফ পুজওয়ালা বলেন, তার মেয়েকে একটা কারণেই খুন করা হয়েছে। আর তা হলো তাদের ওই এলাকা থেকে সরানোর জন্য। মুহাম্মদ ইউসুফ পুজওয়ালা বলেন, কিন্তু আমাদের জীবন আর জমি এখানেই। এটা আমাদের ঘর। আসিফার ভাই স্কুলে গেলেও আসিফা আর কখনো স্কুলে যাবে না। মাঠে খেলা করাই ওর প্রিয় কাজ ছিল। শোকে তখন এই বাবার কণ্ঠ ক্লান্ত শোনাচ্ছিল।


বাঁচতে চাইলে পালাও, আসিফার মহিলা আইনজীবীকে হুমকি

ধর্ষণ করে খুন। অপরাধীদের আড়াল করতে জাতীয় পতাকা হাতে মিছিলের আয়োজন। তাতেও অপরাধ লোকানো যায়নি। আসিফা বানুর গণধর্ষণ ও হত্যা সারা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। ঠিক তারপরই আসিফার হয়ে আদালতে লড়তে যাওয়া আইনজীবীকে হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ছোট্ট আসিফার হয়ে আদালতে লড়ছেন মহিলা আইনজীবী দীপিকা সিং রাজাওয়াত। ভয়েস অফ রাইটস নামে একচি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। দুঃস্থ মহিলাদের হয়ে কাজ করে এই সংগঠন। আসিফার হয়ে তিনিই আদালতে লড়াই করতে নেমেছেন। অভিযোগ, দর্ষকদের বাঁচাতে এরপরই সক্রিয় হয়ে উঠেছে জম্মুর বার অ্যাসোসিয়েশন। দীপিকা নিজে এই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যা নন। কিন্তু বহু আইনজীবীই তাকে জানাচ্ছেন, এই মামলা না লড়াই ভাল। তাতে অবশ্য দমে যাননি দীপিকা। তবে ঘটনাও এখানে শেষ হয়নি। দীপিকা জানাচ্ছেন, জম্মু বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিএস স্লাথিয়া তাকে রীতিমতো হুমকি দিচ্ছেন। আসিফা মামলা থেকে দীপিকা যাতে দূরে থাকেন, তা বারবার করে তাকে বলা হচ্ছে। সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল ব্যাঁকানোর উপায়ও যে জানা আছে এমনটাও বলা হয়েছে তাকে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে নিজেকে আর নিরাপদ মনে করছেন না তিনি। তবে লড়াইয়ের ময়দানও ছাড়ছেন না। অকুতোভয় দীপিকা বলছেন, আমি ভয় পাচ্ছি না। তবে নিরাপদও নই। কিন্তু হাল ছাড়ছি না। ওরা চাপ সৃষ্টি করে মামলা তুলে দিতে চাইছে। কিন্তু আমি ন্যায়ের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাব। ইতিমধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের হাইকোর্টে ও সুপ্রিম কোর্টে তিনি এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আদালত তার অভিযোগ গ্রহণ করেছে। তার নিরাপত্তার দিকটিও নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাখরওয়াল সম্প্রদায়ের প্রতি স্থানীয় মানুষের বিদ্বেষকে কাজে লাগিয়েই আড়াল করার চেষ্টা চলছে অভিযুক্তদের। আইনজীবীকে হুমকির ঘটনায় তা ফের প্রমাণিত হল।


কাশ্মীরের আসিফা ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় উত্তাল কলকাতা

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায় আট বছরের মুসলিম শিশু আসিফা বানুকে গণধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে এসেছে কলকাতার মানুষ। শুক্রবার সারা দিন কলকাতার শিক্ষার্থী ও ছাত্রীরা বিক্ষোভ করেছেন। তারা শনিবার রাতভর বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করেছেন। শুক্রবার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, আশুতোষ কলেজ, চারুচন্দ্র কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে আসিফা বানু ধর্ষণ-হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

কাশ্মীরে শিশু আসিফা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক : জাতিসংঘ

কাশ্মীরে শিশু আসিফা ধর্ষণ-হত্যার ঘটনা রোমহর্ষক : জাতিসংঘ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে মিছিল বের করেন। শ্যামবাজার, মানিকতলা, বাগবাজার, টালিগঞ্জ, কসবা ও যাদবপুরে সন্ধ্যায় মোমবাতি মিছিলে যোগ দেয় স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রতিবাদে শামিল হয় একাধিক রাজনৈতিক দলও। আসিফা বানু হত্যার প্রতিবাদে বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন এসইউসির ছাত্র-যুব-নারী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের তুলে দিতে গেলে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এসইউসি কর্মীরা।

শনিবার আসিফা ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচি পালিত হবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী এদিন থেকে অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। শিক্ষার্থী ও সংস্কৃতি কর্মীদের একাংশ শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ময়দান এলাকার আম্বেদকরের ভাস্কর্যের সামনে থেকে মিছিল করে নন্দন চত্বরে যাবেন। গত জানুয়ারিতে জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার রাসানা গ্রামে আসিফাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। এতে নেতৃত্ব দেন এক মন্দিরের তত্ত্বাবধায়ক ও দুই স্পেশাল পুলিশ কর্মকর্তা। তারা শিশু আসিফাকে এক সপ্তাহ ধরে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে পাথর ছুড়ে হত্যার আগে আবারও ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্তরা হলেন স্থানীয় মন্দিরের তত্ত্বাবধায়ক  সাঞ্জি রাম, স্পেশাল পুলিশ কর্মকর্তা দীপক খাজুরিয়া ও সুরেন্দ্র বর্মা, সাঞ্জি রামের বন্ধু পরভেশ কুমার ওরফে মন্নু, রামের নাবালক ভাতিজা ও ছেলে বিশাল জঙ্গোত্র ওরফে শম্মা। পুলিশের দেয়া ১৫ পৃষ্ঠার এক অভিযোগপত্রে আসিফাকে হত্যার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত জানুয়ারিতে কাঠুয়া জেলার রাসানা এলাকায় মুসলিম বাখেরওয়াল স¤প্রদায়ের শিশু আসিফাকে অপহরণ করে এক সপ্তাহ আটকে রেখে ধর্ষণের পর পাথর ছুড়ে হত্যা করা হয়। আসিফাকে প্রথমবার ধর্ষণের পর তাকে মাদক দিয়ে অজ্ঞান করে রাখা হয়। এরপর পাথর ছুড়ে হত্যার আগে আবারও ধর্ষণ করা হয়।


দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162