এই মাত্র পাওয়া :
শনিবার, জুন ২৩, ২০১৮ | ৯, আষাঢ়, ১৪২৫
 / শেয়ার বাজার ও বাণিজ্য / ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ
সংসদে অর্থমন্ত্রীর
মাসুদ শায়ান, ডেসটিনি অনলাইন :
Published : Thursday, 7 June, 2018 at 10:11 PM, Count : 242
৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ

৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট পেশ

২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য সরকারের শেষ নির্বাচনী বাজেট পেশ করা হয়েছে। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শিরোনামে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ব বৃহৎ বাজেট।

ভোটের বছরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট সংসদে উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এটি দেশের ৪৭তম এবং আওয়ামী লীগের সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের পঞ্চম এবং শেষ বাজেট। নতুন এ বাজেটের আকার  প্রায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি)  প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭.৮ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (০৭ জুন) দুপুর দেড় টার দিকে অর্থমন্ত্রী বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন। দুপুর সাড়ে বারোটায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। অর্থমন্ত্রী অনুমতি নিয়ে প্রথমে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পেশ করেন। এরপর ২০১৮-১৯ সালের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন। এরআগে দুপুর সাড়ে বারোটার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য এই বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ১২তম বাজেট এটি। এর মধ্য দিয়ে টানা দশবার বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী।

২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেটের রাজস্ব লক্ষ্য ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। ঘাটতি ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা। ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়সীমা অপরিবর্তীত, আড়াই লাখ টাকা। কর্পোরেট কর কমছে ২.৫ শতাংশ।

বাজেটে দাম বাড়বে-আমদানি করা চাল, মধু, কফি, গ্রিন টি, চকলেট,অনলাইন ভিত্তিক পণ্য, ব্র্যান্ডের পোশাক, সিগারেট-বিড়ি, স্যানিটারি সিরামিক পণ্য, বাল্ব, প্লাস্টিক ব্যাগ, ১১০০ ফুট পর্যন্ত ফ্লাটের দাম, আসবাবপত্র পলিথিন, এনার্জি ড্রিংস, প্রসাধনী সামগ্রীর। এছাড়া দাম কমবে-দেশে তৈরি গুঁড়ো দুধ মোবাইল ফোন ও  মোটর সাইকেলের, কম্পিউটার ও সফটওয়্যার ও হাইব্রিড গাড়ি টায়ার টিউব, মৎস, পোল্ট্রি ও ডেইরি খাদ্যপণ্য। নতুন এ বাজেটে কৃষি জমিসহ সব ধরনের ভূমি রেজিস্ট্রেশনে ভ্যাট অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সাথে ডে কেয়ার হোম, প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের ওপর কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এবার বাজেটে নতুন করে কোনও করারোপ করা হচ্ছে না। এ বছরের এডিপি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরে (২০১৭-১৮) রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতির পরও সামনের অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জন্য বিশাল রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মহিত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য তিনি মোট ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের পরিকল্পনা করেছেন।

জানা গেছে, এবারের বাজেটে এনবিআরকে ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ককর থেকে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা, এনবিআর-বহির্ভূত কর ব্যবস্থা থেকে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা এবং কর ছাড়া প্রাপ্তি- যেমন টোল, সরকারি হাসপাতালের ফিসহ অন্যান্য উৎস থেকে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা আদায়ের ছক তৈরি করেছেন। এনবিআরকে দেওয়া ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় ধরা হয়েছে ভ্যাট থেকে। এ খাত থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ভ্যাট বাবদ ৮৩ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে আদায় হয়েছে ৫৫ হাজার ৩৩ কোটি টাকা। বাজেটে আয়ের দ্বিতীয় খাত হিসেবে আয়কর আদায়ের জন্য ৯৭ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এ খাতে আদায় ৪৩ হাজার ৭৯০ কোটি টাকা। অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেটে সবচেয়ে কম চাপ রেখেছেন আমদানি শুল্ক খাতে। এদিকে, বাজেটে দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় থাকা সব ধরণের ভাতার পরিমাণই বাড়ানো হয়েছে।

বাজেটে সার্বজনীন পেনশন (সবার জন্য পেনশন) পদ্ধতির একটি রূপরেখা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এছাড়া অনেক বছর ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি (সরকারি বেতনের অংশ) করা হয়নি। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনায় পড়ে বর্তমান সরকার। তাই বাজেটে নতুন করে আরও এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হচ্ছে। এ জন্য বাড়তি পাঁচশ’ থেকে সাড়ে পাঁচশ’ কোটি টাকার বরাদ্দ থাকছে। এবারের বাজেটে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে নজর দেওয়া হচ্ছে। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে বাড়িঘরসহ অবকাঠামো তৈরিতে বাজেটে ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকছে।

নতুন বাজেটে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা ও বিদ্যমান সকল সুবিধার পাশাপাশি বাড়তি হিসেবে যোগ হবে বৈশাখী এবং বিজয় দিবস ভাতা। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে নতুন বাজেটে। বর্তমানে ৬৮ লাখ গরীব মানুষ বয়স্ক, বিধবাসহ নানা ধরনের মাসিক ভাতা পান। নির্বাচন সামনে রেখে ভাতাভোগীর সংখ্যা ১০ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। নতুন এই বাজেটে ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে ইসিআর মেশিন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন বাজেটে এতো সব উন্নয়ন ও জনবান্ধব কর্মকান্ডে অনেকটা উচ্ছসিত সরকার। ক্ষমতাসীনদের মতে এই বাজেট হবে গরীব-দুঃখীদের উন্নয়ন তথা সারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বাজেট।


কোন খাতে কত বরাদ্দ

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ খাতে মোট ২০ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। যা মোট বাজেটের ১২ শতাংশ। সামাজিক নিরাপত্তা কল্যাণ খাতে ২৭ হাজার ৫২৫ কোটি। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৫ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা। প্রতিরক্ষা খাতে ২৯ হাজার ১০১ কোটি টাকা। শিক্ষা প্রযুক্তি খাতে ৬৭ হাজার ৯৪৪ কোটি।

এছাড়া জনশৃঙ্খলা খাতে ২৬ হাজার ৯৩৯ কোটি। রাজস্ববোর্ডের লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ২৪ হাজার ৯২০ কোটি টাকা। কৃষিখাতে ২৬ হাজার ২৫৯ কোটি, স্থানীয় সরকার খাতে ৩২ হাজার ৬৭০ কোটি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি। পদ্মা সেতুতে ১ হাজার ৪ শ কোটি টাকা। এর আগে মন্ত্রীসভায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।


বাজেটে ঘাটতি এক লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে এক লাখ ২১ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। এই ঘাটতির একটি অংশ মেটানো হবে ব্যাংকের ঋণ দিয়ে, আর বাকিটা ধরা হয়েছে বৈদেশিক সহায়তা বা ঋণ হিসেবে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে এই বিষয়টি নির্ধারণ করা হয়েছে। চার লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। আর রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। ফলে মোট ঘাটতি থাকছে ১ লাখ ২১ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। এই ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৪.৯ শতাংশ। ঘাটতি জিডিপির পাঁচ শতাংশের নিচে থাকলে তাকে গ্রহণযোগ্য বলেই মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। অর্থমন্ত্রীও বলছেন, তিনি এটি পাঁচ শতাংশের নিচেই রাখতে চান। বাজেটে ব্যয় মেটাতে সরকারি অনুদানসহ আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে তার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যোগান দেবে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত সূত্র হতে কর রাজস্ব প্রাক্কলন করা হয়েছে ৯ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। এছাড়া কর-বহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আহরিত হবে ৩৩ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এনবিআরের সংশোধিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪৫৪ কোটি টাকা। সেই হিসাবে আগের বছরের চেয়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি যোগান দিতে হবে সংস্থাটিকে। সরকারের অর্থায়নে ঘাটতি মোকাবেলায় অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা থেকে ঋণ ধরা হয়েছে ৭১ হাজার ২২৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংক থেকে নেয়া হবে ৪২ হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা আসবে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করে। আর বাকি টাকা আসবে বিদেশি ঋণ ও সহায়তা হিসেবে।

কর ফাঁকির শাস্তি বাড়ছে
২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, আমরা অনেক বছর ধরেই করের হার আর বাড়াচ্ছি না। বরং করের হার ক্রমান্বয়ে কমছে। এ বছর ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের করহার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো, কর হার না বাড়িয়ে বরং কর প্রদান নিশ্চিত করে এবং কর ফাঁকি ও কর পরিহার রোধ করে রাজস্ব বাড়ানো। আমাদের বেশিরভাগ করদাতাই আয়করের বিধিবিধান মেনে ঠিক মতো কর দেন। তবে, যারা ফাঁকি দেন তাদের জন্য আমরা বেশ শক্ত পদক্ষেপ নেব।
তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে আইনি সংস্কারের উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবগুলো হলো:-

ক. কর আইনের বিভিন্ন বিধান পরিপালনের ব্যর্থতায় আরোপযোগ্য জরিমানার আওতা সম্প্রসারণ ও জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করে যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করা।

খ. আয়কর কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যক্তির নিকট তথ্য চাওয়ার পর ঐ ব্যক্তি তথ্য গোপন করলে বা ইচ্ছাকৃতভাবে আয়কর কর্তৃপক্ষকে ভুল তথ্য দিলে তার জন্য শাস্তির বিধান সংযোজন।

গ. কোনো করদাতা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎস কর রিটার্ন দাখিল না করলে অথবা বেতনভোগী কর্মীদের বেতনভাতার তথ্য বা রিটার্ন দাখিল বিষয়ক তথ্য কর বিভাগের নিকট দাখিল না করলে সে করদাতার আয়কর রিটার্নকে অডিটের আওতায় আনা হবে।


দৈনিক ডেসটিনি’র অনলাইনে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


প্রকাশক ও সম্পাদক : মোহাম্মদ রফিকুল আমীন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মিয়া বাবর হোসেন।
© ২০০৬-২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ডেসটিনি.কম
আলী’স সেন্টার, ৪০ বিজয়নগর ঢাকা-১০০০।
বিজ্ঞাপন : ০১৫৩৬১৭০০২৪, ৭১৭০২৮০
email: ddaddtoday@gmail.com, ওয়েবসাইট : www.dainik-destiny.com
ই-মেইল : destinyout@yahoo.com, অনলাইন নিউজ : destinyonline24@gmail.com
Destiny Online : +8801719 472 162